ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি কম? ৫ কারণ জেনে নিন

110749WiFi_kalerkantho_pic

ওয়াইফাই ইন্টারনেট যারা ব্যবহার করেন তাদের অনেকেই যে গতি পাওয়ার কথা তা পান না। এর পেছনে কারণ কী হতে পারে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রযুক্তিবিদরা কয়েকটি বিষয় জানিয়েছেন। এ লেখায় তুলে ধরা হলো ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি কম পাওয়ার সমস্যা ও তা সমাধানের কয়েকটি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। ১. ইন্টারনেট চুরি আপনার ইন্টারনেটের সংযোগ কোনো প্রতিবেশী ব্যবহার করলে এতে আপনার ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই প্রতিবেশীদের থেকে সাবধান। অবশ্য কয়েকজন প্রতিবেশী মিলে একটি গতিশীল ইন্টারনেট নিয়ে তা শেয়ার করে ব্যবহার করাও একটি ভালো বুদ্ধি। তবে আপনার অজান্তে যদি তা চুরি হয়ে যায় তাহলে সতর্ক হোন। পাসওয়ার্ড গোপন রাখুন ও সন্দেহ হলে পরিবর্তন করুন। ২. অতিরিক্ত ডিভাইস আপনার এলাকায় যদি প্রচুর ওয়াইফাই সিগন্যাল থাকে এবং প্রচুর ডিভাইস ব্যবহৃত হয় তাহলে এমনটা হতে পারে। বহু ডিভাইসের কারণে ওয়াইফাই সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা থাকলে পিক আওয়ারে ইন্টারনেটের গতি কম পাবেন এবং অন্য সময় বেশি পাবেন। এ ক্ষেত্রে আপনার চ্যানেল পরিবর্তন করলে সুবিধা পাবেন। আপনি যদি ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির রাউটার ব্যবহার করেন তাহলে তাতে ১১টি চ্যানেল থাকবে। আপনার কাজ হবে ১, ৬ কিংবা ১১ নম্বর চ্যানেল কিংবা অন্য কোনো চ্যানেলে পাল্টে নেওয়ায়। এ ছাড়া ৫ গিগাহার্জ চ্যানেলযুক্ত রাউটার ব্যবহার করলে এ সমস্যা হবে না। ৩. পুরনো যন্ত্রপাতি ওয়াইফাই রাউটার যদি পুরনো মডেলের হয় তাহলে তা বাদ দিন। এ ক্ষেত্রে আপনার রাউটারের গতি দেখে নিন। এটি যদি আপনার ইন্টারনেটের লাইনের তুলনায় কম গতির হয় তাহলে রাউটার পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে। এগুলো যদি হয় বি কিংবা জি মডেল তাহলে ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। তাই ব্যবহার করুন এন মডেল। ৪. সিকিউরিটি দুর্বলতা দূর করুন অনেক সময় নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে ওয়াইফাইয়ের গতি ধীর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওয়াইফাই ইন্টারনেটের জন্য WEP বাদ দিয়ে কিছুটা নিরাপদ WPA/WPA2 ব্যবহার করুন। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ৫. দূরবর্তী স্থান ওয়াইফাই ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে রাউটারের থেকে দূরবর্তী স্থানে স্বভাবতই ইন্টারনেট পৌঁছাতে সমস্যা হবে। এ ক্ষেত্রে রাউটার স্থাপন করতে হবে বাড়ির মাঝামাঝি স্থানে যেন সব স্থান থেকেই ভালোভাবে সিগন্যাল পাওয়া যায়। আপনার ডিজিটাল ডিভাইসগুলোর সবচেয়ে কাছাকাছি স্থানে কোনো বাধা ছাড়া রাউটার রাখার চেষ্টা করুন। বাড়িতে বহু ভারী ফার্নিচার থাকলে সেগুলোর আড়ালে নয় বরং সেগুলোর উপরে রাউটার বসান। এতে বাধামুক্তভাবে রাউটার আপনার ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে। রাউটারের সঙ্গে আপনার ডিভাইসের মাঝে দ্রুত যোগাযোগের পথে বহু জিনিসই বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এসব বাধার মধ্যে রয়েছে ধাতব দরজা, অ্যালুমিনিয়াম কাঠামো, ওয়াল ইনসুলেশন, পানির ট্যাংক বা অ্যাকুরিয়াম, আয়না, হ্যালোজেন লাইট, গ্লাস ও কংক্রিট। এ ধরনের বাধাগুলো যেখানে সবচেয়ে কম সেখানেই প্রয়োজনীয় যন্ত্র বা রাউটার স্থাপন করুন।

পেইজা (Payza) বাংলাদেশ চালু করলো আন্তর্জাতিক প্রিপেইড মাস্টারকার্ড।

পেইজা (Payza) বাংলাদেশে প্রিপেইড মাস্টারকার্ড চালু করলো

পেইজা (Payza) বাংলাদেশ চালু করলো আন্তর্জাতিক প্রিপেইড মাস্টারকার্ড। অনলাইনে লেনদেন বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রে পেইজার এ প্রিপেইড কার্ড গ্রাহকের কার্যক্রম প্রক্রিয়া সহজতর করবে।

গতকাল সোমবার (১ আগস্ট ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেইজা আন্তর্জাতিক প্রিপেইড মাস্টারকার্ড অন্যান্য প্রিপেইড ডেবিট কার্ডের চেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের। কোনো মাসিক বা বাৎসরিক ফি নেই। এটা সহজ এবং সুবিধাজনক।

পেইজা ই-ওয়ালেট থেকে কার্ডে ফান্ড লোড করে যেখানে যেখানে মাস্টার কার্ড ব্যবহার করা যায়, তার প্রায় সবখানেই এই কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করা যাবে। ফেসবুক পেজের প্রমোশন, অ্যাডভারটাইজমেন্টের জন্য পেমেন্ট করা, অনলাইনে কেনাকাটা করা, স্থানীয় রেস্টুরেন্টগুলোতে যেমন- কেএফসি, পিৎজা হাট ইত্যাদিতে বিল পরিশোধ করা, স্থানীয় বড় বড় শপিং মলে পেমেন্ট করা এবং পিওএস মেশিনে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

আন্তর্জাতিক ই-কমার্স অথবা অনলাইন শপিং কোম্পানিগুলো যেমন- অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা, নেটফ্লিক্স ইত্যাদিতেও এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে। এমনকি গ্রাহক বাংলাদেশের যেকোনো আন্তর্জাতিক মাস্টারকার্ড সমর্থিত এটিএম বুথ থেকেও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে উপার্জিত টাকা অনায়াসে উত্তোলন করতে পারবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার ১০০ ভাগ নিরাপদ এবং সহজ। গ্রাহক যেখানেই যান তার পেইজা কার্ডের ই-ওয়ালেট থেকে ফান্ড নিয়ে ব্যবহার করতে সক্ষম হবেন। এটা ভ্রমণের সময় যেকোনো স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন। কার্ডটি হারিয়ে গেলে এটা বাতিল বা পুনরায় তোলা যায় বলে গ্রাহকের ফান্ড সবসময় সুরক্ষিত থাকে।

পেইজা বাংলাদেশের প্রধান বিপণন ও বিক্রয় কর্মকর্তা নাফিস ইহতিশাম বলেন, এই কার্ডের উচ্চ চাহিদা দেখে আমরা খুব আশাবাদী যে এর সফল প্রভাব বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি অন্যান্য অনলাইন পেমেন্টের ওপরও থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পেইজার ওয়েবসাইটে (Payza.com) সাইন আপ করে এখনই কার্ড অর্ডারের কথা বলা হয়।

পেইজা বিশ্বের একটি শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত দেশের সর্বপ্রথম ই-ওয়ালেট। পেইজা ই-ওয়ালেট স্থানীয় ই-কমার্স ও ফেসবুক-কমার্স, অনলাইন পেমেন্ট, কর্পোরেট লেনদেন, রেমিটেন্স এবং অন্যান্য ই-সেবাগুলো প্রদানে বাংলাদেশে এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নতুন কলব্যাক ফিচার এনেছে হোয়াটসঅ্যাপ

download (1)

অ্যান্ড্রয়েড বেটা আপডেটে একটি নতুন কল ব্যাক ও ভয়েসমেইল ফিচার এনেছে জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। ২.১৬.১৮৯- নামের এই আপডেটের ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা কোনো গ্রাহক ফোন না ধরলে কলদাতা তাকে ভয়েস মেইল পাঠানোর সুযোগ পাবেন।

মাসে ১০০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারীকে সবচেয়ে উন্নত ‘কল’ অভিজ্ঞতা দিতে প্রতিষ্ঠানটি এই আপডেট এনেছে বলে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

এর আগে কেউ কোনো ভয়েস মেসেজ পাঠাতে চাইলে তাকে আবার চ্যাট উইন্ডোতে যেতে হতো। এখন ব্যবহারকারীরা কল পরবর্তী মেনু থেকেই ভয়েসমেইল ও নতুন কলের সুযোগ পাবেন। অবাক করার বিষয় হলো, চ্যাট উইন্ডোতে নির্দিষ্ট মেসেজের রিপ্লাই দিতেও সক্ষম হবেন ব্যবহারকারীরা।

এ জন্য ব্যবহারকারীদের শুধু একটি মেসেজ চেপে ধরতে হবে এবং রিপ্লাই বাটন চাপতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপের বেটা গ্রাহকরা এই আপডেট ব্যবহার করতে পারছেন। অচিরেই সবার জন্য এটি চালু করা হবে।

ল্যাপটপের কি–বোর্ড যখন কাজ করে না

freelancing

 

ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের বড় সমস্যা হঠাৎ কি-বোর্ড কাজ না করা। যন্ত্রাংশ বা সফটওয়্যারের কারণে কি-বোর্ড কাজ করতে চায় না কখনো কখনো। কিন্তু কি-বোর্ডে কখনো বেশি চাপ পড়লে বা অসাবধানতায় এর ওপর তরল পদার্থ পড়লে কি-গুলো শর্ট হয়ে যায়। তবে যন্ত্রাংশের বড় ধরনের সমস্যা না হলে কিছু পদক্ষেপ নিলে ল্যাপটপের কি-বোর্ডকে আবার কার্যকর করা যায়।

যা করবেন

ডিভাইস সফটওয়্যার চেক: স্টার্ট মেন্যুতে devmgmt.msc লিখুন। ডিভাইস ম্যানেজার এলে তাতে ক্লিক করে খুলুন। অনেক সময় হার্ডওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড ড্রাইভ এখানে লুকিয়ে থাকে। তাই ডিভাইস ম্যানেজারের View মেন্যুতে ক্লিক করে Show hidden devices-এ ক্লিক করুন। এবার এই তালিকার Keyboards-এ ডবল ক্লিক করলে আপনার ল্যাপটপের ডিভাইসের নাম দেখতে পাবেন। এখানে হলুদ ত্রিভুজের মধ্যে বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখা গেলে ল্যাপটপ নির্মাতার ওয়েবসাইটে গিয়ে ল্যাপটপের মডেল দিয়ে ড্রাইভার খুঁজে নিয়ে তার সর্বশেষ সংস্করণ নামিয়ে ব্যবহার করলে কি-বোর্ড সচল হয়ে যাবে। না হলে কি-বোর্ড ড্রাইভারে ডান ক্লিক করে Uninstall-এ ক্লিক করুন। আনইনস্টল শেষে Action মেন্যুতে ক্লিক করলে Scan for hardware changes-এ ক্লিক করুন। এবার কম্পিউটার আবার চালু (রি-স্টার্ট) করুন তাহলে কি-বোর্ড পুনরায় ইনস্টল হয়ে আবার কাজের উপযোগী হবে।

বায়োস সেটিংস: কম্পিউটার রি-স্টার্ট করে কি-বোডের্র Esc চেপে ধরে থাকুন। যদি স্টার্ট-আপ মেন্যু না আসে তাহলে বুঝতে হবে কি-বোডের্র হার্ডওয়্যার সমস্যা। সে জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড লাগিয়ে নিয়ে আবার Esc key চেপে ধরে রাখুন স্টার্ট-আপ মেন্যুর পর্দা আসা পর্যন্ত। এইচপির ল্যাপটপের জন্য স্টার্ট-আপ মেন্যু এলে F10 key চেপে বায়োসে (অন্য ব্র্যান্ড ব্যবহারকারীরা তাদের ল্যাপটপের বায়োস কি চেপে) ঢুকুন। এবার F5 চাপলে load the default settings করুন। F10 কি চাপলে সেটিংস সেভ হয়ে কম্পিউটার পুনরায় চালু করলে অনেক সময় কি-বোর্ড ঠিক হয়ে যায়। এ ছাড়াও সফটওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড কাজ না করলে উইন্ডোজের সিস্টেম রিস্টোর করে দেখতে পারেন। অনেক সময় তৃতীয় পক্ষের কিছু সফটওয়্যারের জন্য কি-বোর্ড কাজ করে না। তাই জেনে-বুঝে সফটওয়্যার ইনস্টল করুন প্রয়োজনে ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটার স্ক্যান করে নিন। আবার কি-বোর্ডের ভেতর ময়লা জমে গেলে কি আর কাজ করে না। তাই ল্যাপটপ বন্ধ অবস্থায় কি-গুলোকে ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দেখতে পারেন। প্রয়োজনে উইন্ডোজের অন-স্ক্রিন কি-বোর্ড ব্যবহার করতে পারেন।

ফেসবুকের শর্টকাট কি

1b7cff49623dc9db4fbb8faa8ffed420-facebook

ফেসবুকের নিউজফিডে মাউসের ব্যবহার যেন অপরিহার্য। তবে কি-বোর্ডের কিছু শর্টকাট কি ব্যবহার করে আরও দ্রুত যে কাজ সারা যায়,
তা কি জানা আছে?

* J ও K ওপরে ও নিচে নিউজফিডের পোস্ট নির্বাচন
* Enter নির্বাচিত পোস্ট পুরোটা দেখাবে
* P নতুন কিছু পোস্ট করার জন্য
* L কোনো পোস্ট লাইক বা আনলাইক করবে
* C নির্বাচিত পোস্টে কমেন্ট করতে
* S কোনো কিছু শেয়ার করা যাবে
* O নির্বাচিত ছবি বড় করে দেখাবে
* / কোনো কিছু খুঁজতে সার্চবার সক্রিয় করবে
* Q চ্যাটে কাউকে খুঁজে পেতে
এই তালিকা ভুলে গেলেও কোনো সমস্যা নেই। নিউজফিডে থাকা অবস্থায় ‘?’ বোতাম চাপলেই পুরো তালিকাটি দেখাবে

আপওয়ার্কে কাজের সাফল্য হিসাব করা হয় যেভাবে

 

download

ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট আপওয়ার্কে কীভাবে কাজের সাফল্যের (জব সাকসেস স্কোর) হিসাব করা হয়, এটা নিয়ে অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দেয়। আগে যখন ওডেস্ক এবং ইল্যান্স (ওডেস্ক ও ইল্যান্স মিলে বর্তমানে আপওয়ার্ক) ছিল, তখন শুধু গ্রাহকের মন্তব্যের (ফিডব্যাক) রেটিং গণনা করা হতো। আপওয়ার্ক হওয়ার পর থেকে আর শুধু ফিডব্যাক গণনা করা হয় না। এখন জব সাকসেস স্কোর হিসাব করা হয়। জব সাকসেস স্কোর অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। জব সাকসেস স্কোর = সব ফিডব্যাক (পাবলিক ও প্রাইভেট) + দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক, চুক্তির পুনরাবৃত্তি ‍+ কোনো কাজ ছাড়া চুক্তি, পর্যাপ্ত ফিডব্যাকের ঘাটতি। জব সাকসেস স্কোর = (চুক্তির সফল বাস্তবায়ন – নেতিবাচক ফলাফল)/মোট কাজের ফলাফল আপওয়ার্ক প্রতি ১৪ দিন পরপর রোববারে ৬ মাস, ১২ মাস এবং ২৪ মাসের জব সাকসেস স্কোর আলাদাভাবে হিসাব করে। যে স্কোরটি বেশি হয় সেটি ফ্রিল্যান্সারদের প্রোফাইলে যোগ করে। জব সাকসেস স্কোর ৯০ বা তার চেয়ে বেশি হলে অনেক ভালো হিসেবে গণ্য হয়। ৭৫ বা এর কম হলে খারাপ হিসেবে গণ্য হয়। জব সাকসেস স্কোর ৭৫-এর চেয়ে কমে গেলে নতুন কাজ পেতে অনেক সমস্যা হয়।

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি এবং চুক্তির পুনরাবৃত্তি স্কোর বাড়ায়: কোনো চুক্তি যদি অনেক দিন ধরে চলে এবং নিয়মিত কাজের পারিশ্রমিকের লেনদেন হয়, তবে স্কোর বাড়ায়। আবার একই গ্রাহক বারবার কাজ দিলেও স্কোর বাড়ে।

বাজে গ্রাহকের ফিডব্যাক গণনা করা হয় না: যেসব গ্রাহক সব ফ্রিল্যান্সারের সঙ্গেই বাজে ব্যবহার করে এমন ক্লায়েন্টদের ফিডব্যাক গণনা করা হয় না এবং তাদের অ্যাকাউন্ট আপওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়।

লেনদেন হয় না এমন চুক্তি স্কোর কমিয়ে দেয়: কোনো একটা চুক্তির কাজ শুরু হওয়ার পর যদি পেমেন্ট লেনদেন না হয় তাহলে নির্দিষ্ট একটা সময় পর এটা স্কোর কমিয়ে দেয়। তাড়াতাড়ি এই কন্ট্রাক্টটি শেষ করে এই সমস্যা থেকে বাঁচা যায়।

ফিডব্যাক ছাড়া চুক্তি শেষ হলে কমে যায়: মাঝেমধ্যে ফিডব্যাক ছাড়া চুক্তি শেষ হলে কোনো সমস্যা হয় না, কিন্তু নিয়মিত ফিডব্যাক ছাড়া চুক্তি শেষ হলে স্কোর কমে যায়। গ্রাহককে অনুরোধ করে ফিডব্যাকসহ কন্ট্রাক্ট এন্ড করলে এই সমস্যা থেকে বাঁচা যায়।

এসোশিখির বিনিয়োগের বিডি ভেঞ্চার

1470654258

ইন্টারনেটভিত্তিক দূরশিক্ষণের ওয়েব পোর্টাল এসোশিখি ডটকমে (www.eshosikhi.com) বিনিয়োগ করল বিডি ভেঞ্চার লিমিটেড। সম্প্রতি বিডি ভেঞ্চারের নিজস্ব কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিডি ভেঞ্চার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন ও এসোশিখি ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম তানভীর এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে এসোশিখি ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এই বিনিয়োগ মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, ভর্তি প্রস্তুতি ও চাকরির পরীক্ষার জন্য মানসম্মত কারিকুলামভিত্তিক ভিডিও লেকচার ও পরীক্ষা তৈরিতে ব্যবহার হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসোশিখি ডটকমের সব বিষয়ের ভিডিও লেকচার ও পরীক্ষা তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে সব বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারবে।

বিডি ভেঞ্চার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন বলেন, এসোশিখি ডটকম বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

যত দ্রুত সম্ভব, শুরু করুন

13876533_636735956487346_4182794189601441524_n

১. যত দ্রুত সম্ভব, শুরু করুন: বুড়ো বয়সে ‘যৌবনে কী-ই না করতে পারতাম!’—এই আফসোস যেন আপনাকে না ভোগায়। তাই বিল গেটস সব সময় বলেছেন, ‘শুরু করুন।’ যে ‘আইডিয়া’ আপনি মাথায় নিয়ে বসে আছেন, সেটা কাজে লাগিয়ে হয়তো কয়েক বছর পর অন্য কেউ সফল হবে। ছাত্রজীবন থেকেই স্বপ্নপূরণের শুরুটা হলে আপনার সফলতার সম্ভাবনা যতটুকুই থাকুক, অন্তত হাল ছেড়ে দেওয়ার আশঙ্কা কম থাকবে।
২. প্রতিদিন নিজের সেরাটা দিতে হবে: বিল গেটস বলছেন, ‘জীবনটা সেমিস্টার হিসেবে ভাগ করা নেই, যে দশ সপ্তাহ পর পর আপনি ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এমনকি এখানে “ব্রেক” বলেও কিছু নেই।’ অতএব, প্রতিদিন আপনাকে আপনার সেরাটাই দিতে হবে।
৩. নিজেই নিজের বস হোন: আপনি নিজেই যদি নিজের স্বপ্নপূরণের কাজে না নামেন, অন্য কেউ তাঁর স্বপ্ন পূরণে আপনাকে নিয়োগ করবে। তার চেয়ে বরং এই শ্রম নিজের স্বপ্নপূরণের পেছনে খরচ করুন।
৪. ‘না’ বলা শিখুন: আপনি যতই প্রতিভাবান হোন না কেন, দিনে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় আপনি পাচ্ছেন না। এই ২৪ ঘণ্টা কে কীভাবে ব্যবহার করে, সেটাই সফল এবং অসফল মানুষের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে এক বক্তব্যে একবার বিল গেটস বলেছিলেন, ‘জীবনের সেরা উপদেশ আমি পেয়েছি আমার বন্ধু ওয়ারেন বাফেটের কাছ থেকে। সে বলেছিল, তোমাকে “না” বলতে জানতে হবে।’ বিল গেটস মনে করেন, কখনো কখনো ‘না’ বলতে পারা আপনাকে লক্ষ্যে অবিচল থাকতে সাহায্য করবে।
৫. প্রতিজ্ঞ হোন, প্রত্যয়ী হোন: সব সফল উদ্যোক্তাই জোর দিয়ে এই পরামর্শ দিয়েছেন। যে কাজটি করছেন, তার প্রতি ভালোবাসা থাকতেই হবে। সফল মানুষেরা একমাত্র ভালোবাসা দিয়েই কঠিন কাজটাকে সহজে করেন।
৬. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, জীবনই সেরা স্কুল: যত বই-ই পড়েন না কেন, শিক্ষাজীবনে যত পরীক্ষাই দেন না কেন—এসব কখনোই পুরোপুরি আপনাকে সত্যিকার জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা শেখাবে না। নিজের জীবন থেকে শিখেই তৈরি হতে হবে।
৭. আশা হারাবেন না: লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে হতাশাবাদী হলে চলবে না। বরং সব সময় আশাবাদী হতে হবে। ২০১৩ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিল গেটস বলেছিলেন, ‘আশাবাদ অনেক সময় মিথ্যে আশায় পরিণত হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, “মিথ্যে হতাশা” বলেও কিছু আছে।’
৮. সমালোচনাকে স্বাগত জানান: বিল গেটস তাঁর বিজনেস অ্যাট দ্য স্পিড অব থট বইয়ে সমালোচনার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলেছেন।

ঝুঁকির মুখে ১০ লাখ উইন্ডোজ গ্রাহক!

freelancing

সম্প্রতি ভেক্ট্রা নেটওয়ার্কসের গবেষকেরা উইন্ডোজ প্রিন্ট স্পুলার প্রসেসে ২০ বছরের পুরনো এক বাগের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন। এ বাগ অবৈধ ও ক্ষতিকর ড্রাইভার ডাউনলোড ঠেকাতে পারে না। আর এসব ড্রাইভার ডাউনলোড হলে ক্ষতির সম্মুখীন হয় পুরো নেটওয়ার্ক। ভেক্ট্রার গবেষক নিক বিউচেসনি জানিয়েছেন, ত্রুটি নেটওয়ার্কে প্রবেশ করলে তা আর সুরক্ষিত থাকে না। মেশিনকে প্রভাবিত করে। প্রথম দিকে এ ত্রুটি শনাক্ত করা সম্ভব নাও হতে পারে। ম্যালওয়্যার পরে একটি মেশিন থেকে পুরো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে। এ ত্রুটি উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমে পরিলক্ষিত হয়েছে বলে ভেক্ট্রার দাবি। এ ত্রুটিতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে বিভিন্ন কোম্পানিতে ব্যবহৃত বিওয়াইওডি ল্যাপটপ, পাবলিক নেটওয়ার্কে থাকা ব্যক্তিগত ল্যাপটপের যথেচ্ছ ব্যবহার ও করপোরেট নেটওয়ার্ক, যেখানে দলীয় নীতি এ ফিচারে সক্রিয়। কাউকে একটি প্রিন্টার সংযুক্ত করতে বাধ্য করা কৌশলপূর্ণ কাজ হতে পারে। কিন্তু এইচটিটিটি রিকোয়েস্ট ও ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন উপায়ে বাধ্য করে অন্য নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হামলা চালানোরও উপায় রয়েছে।
এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ১০ লাখ উইন্ডোজ পার্সোনাল কম্পিউটার (পিসি)। এসব পিসি উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমে চালিত। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভিস্তা ও পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেমসের জন্য প্যাচ ইস্যু করলেও এর আগের সংস্করণগুলো এখনো ঝুঁকিতে রয়ে গেছে। নেটওয়ার্ক প্রিন্টারের সাথে উইন্ডোজ মেশিন্সের মধ্যের মিথস্ক্রিয়ার ভিত্তিতে এ জটিল ঝুঁকি। স্থানীয় নেটওয়ার্ক অথবা ইন্টারনেটে এ জটিলতা সিস্টেমে ক্ষতিকর কোড চালুর সুযোগ দেয় সাইবার হামলাকারীকে। এটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ডাউনলোড, ম্যানুয়াল জটিলতা এড়াতে সক্ষম।

কেন বিক্রি হলো ইয়াহু?

142176_153

স্বাধীন কোম্পানি হিসেবে ইয়াহুর অস্তিত্ব আর থাকছে না। সম্প্রতি মার্কিন টেলিকম জায়ান্ট ভেরিজোন ৪.৮৩ বিলিয়ন ডলারে ইয়াহুকে কিনে নিয়েছে। একসময় ইয়াহু ছিল ইন্টারনেট যুগের অন্যতম পথিকৃৎ। প্রতিষ্ঠানটি একসময় ব্যবহারকারীদের কাছে অনেক জনপ্রিয় ছিল। তবে বর্তমান সময়ের বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ভেরিজনের কাছে বিক্রি হলো। যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকম জায়ান্ট ভেরিজন কমিউনিকেশনস ইয়াহুকে কেনার সঙ্গে সঙ্গে
ইয়াহুর ইতিহাসের সমাপ্তি হলো আর ভেরিজন নতুন আরেকটি যুগের শুরু হলো। লিখেছেন আহমেদ ইফতেখার

ইন্টারনেট বিশ্বে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ইয়াহু অধিগ্রহণ। সম্প্রতি ইয়াহু অধিগ্রহণ করছে ভেরাইজন। ভেরিজন মোবাইলের এই যুগে নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করতেই কিনেছে ইয়াহুকে। একটা সময় পর্যন্ত ইন্টারনেটের রাজ্যে রাজত্ব ছিল ইয়াহুর। ইয়াহুর সার্চ ইঞ্জিন বা ইয়াহুর ইমেইল সেবার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। পরবর্তী সময়ে গুগলের কাছে বাজার হারায় ইয়াহু। বেশ কয়েকবারই ব্যবসায়িক কৌশল বদলে ইয়াহু বাজার ধরার চেষ্টা করলেও তাতে খুব বেশি সফল হতে পারেনি তারা। এর আগে ২০০৮ সালে মাইক্রোসফটের প থেকে ইয়াহুকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল ৪ হাজার ৪ শ’ কোটি মার্কিন ডলারের। তাতে নিজেদের বিক্রি করে দিতে তখন রাজি হয়নি ইয়াহু। একটা সময় তাদের সম্পদের মূল্যমান ১২ হাজার ৫ শ’ কোটি ডলারেও পৌঁছায়। কিন্তু সেই জায়গা থেকে কেবল পতন হতে থাকে ইয়াহুর। চার বছর আগে ইয়াহুর সিইওর দায়িত্ব গ্রহণ করেন গুগল থেকে আসা নারী কর্মকর্তা মারিসা মেয়ার। তিনিও ইয়াহুকে সম্ভাবনার জায়গায় পৌঁছে দিতে পারেননি। তবে মারিসা বলেছেন, ‘ইয়াহু এমন একটি কোম্পানি যেটি একসময় বিশ্বকে বদলে দিয়েছে। ভেরিজন ও এওএল-এর সঙ্গে সমন্বিত হয়ে ইয়াহু বিশ্বকে বদলে দেয়ার সেই ধারা অব্যাহত রাখবে।’
বিক্রির পেছনে কারণ
২০০৮ সালে ব্যবসায় শীর্ষে ওঠে ইয়াহু। কিন্তু ধীরে ধীরে তার পতন শুরু হয়। পরিকাঠামোগত পরিবর্তন ও অন্যান্য পরিবর্তন এনেও ফেসবুক ও গুগলের জনপ্রিয়তার সঙ্গে পেরে ওঠেনি প্রতিষ্ঠানটি। সার্চ ইঞ্জিন হোক কিংবা মেল-এর দিক থেকে অনেক এগিয়ে যায় গুগল। বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ইয়াহুর পে বিপজ্জনক হয়ে দাঁড়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় টেক্কা দিতে গিয়ে তাম্বলার নামে এক সোশ্যাল ব্লগিং সার্ভিস কিনে ইয়াহু। কিন্তু ফেসবুকের জনপ্রিয়তার ধারেকাছে তো পৌঁছায়নি সেটিও, আদতে এ সাইটকে ফপ বললে অত্যুক্তি করা হয় না। এই লোকসানও কোম্পানির পে যথেষ্ট তিকর হয়।
সময়ের সঙ্গে গুগল ও ফেসবুক যেভাবে নিজেদের পরিবর্তন করেছে, সেইভাবে বিবর্তিত হতে পারেনি ইয়াহু। ফলে জনপ্রিয়তা হারিয়েছে ব্যবহারকারীদের মধ্যে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব থেকে বেশি বেতনের মহিলা সিইও মারিসা মায়ার কাজ করেন এই প্রতিষ্ঠানে। সবরকম প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। এখন যদিও প্রশ্ন উঠছে তার দতা নিয়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইয়াহু যেভাবে পিছিয়ে পড়েছিল, সেই ডুবন্ত তরীকে আর তুলে আনতে পারেননি তিনি। অবশেষে ভেরিজন ইয়াহুকে কিনে নেয় ৪৮৩ কোটি মার্কিন ডলারে।
ইতিহাস
১৯৯৪ সালে জেরি ইয়াং ও ডেভিড ফিলোর হাতে পথচলা শুরু ইয়াহুর। স্ট্যাফোর্ডের তড়িৎ প্রকৌশলে স্নাতক ইয়াং ও ফেলো ১৯৯৪ সালের সেপ্টেম্বরে চালু করেন ‘গাইড টু দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’। শুরুর সময় এতে ছিল দুই হাজারের বেশি ওয়েবসাইটের সমন্বয়। ইন্টারনেট হিস্ট্রি ব্রডকাস্টের তথ্য অনুযায়ী, পরের বছরই তা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। আর প্রতিষ্ঠানের নাম সে সময় বদলে রাখা হয় ইয়াহু। শুরুতে ইয়াহুর অফিসিয়াল কার্যক্রম শুরু হয় ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টাকারায়।
১৯৯৫ সালে ইয়াহুর সিইও টিম কুগল ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেট যুগে নেতৃত্ব পদ নিরাপদ করার প্রচেষ্টার কারণে প্রযুক্তির চেয়ে মিডিয়া কোম্পানি হিসেবেই বেশি পরিচিত হতে থাকে ইয়াহু। গ্রাহক বাড়ানোর ল্েয পেজে যোগ করে শপিং ও ইয়াহু মেইল।
২০০১ সালে ইয়াহুর সিইও পদে যোগ দেয় টেরি সেমেল। তার সময়কালে গুগলের কাছে পরাজয় হয় ইয়াহুর। তবে প্রতিষ্ঠানটিতে মিডিয়ার দৃষ্টিকোণ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সেমেল। ২০০২ সালে সেমেল ১০০ কোটি ডলারে গুগল অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেয় সার্চ ইঞ্জিনের দুই কর্ণধার ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিনকে। কিন্তু গুগল প্রতিষ্ঠাতারা সেমেলের কাছে দাবি করেন ৩০০ কোটি ডলার। ২০০৪ সালে ইয়াহুকে ছাড়িয়ে যায় গুগল। পাশাপাশি গুগলের জনপ্রিয়তাও বাড়তে শুরু করে সার্চ ওয়েব হিসেবে। গুগলেই থেমে ছিলেন না সেমেল। ইউটিউব কেনার চেষ্টা করলেও সফলতা মেলেনি। ২০০৬ সালে প্রায় ১০০ কোটি ডলারে ফেসবুক অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেন কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গকে। তাকে এক কথায় ‘না’ বলে দেন জুকারবার্গ।
২০০৭ সালে সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেয় জেরি ইয়াং। তিনি শুরু থেকেই প্রতিশ্র“তিবদ্ধ ছিলেন প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করার জন্য। আয় কমে যাওয়ায় ২০০৮ সালের মধ্যেই ছাঁটাই করলেন ১৫ হাজার কর্মী। গুগল ইয়াহুর সঙ্গে বিজ্ঞাপন অংশীদারিত্বের প্রস্তাবনা তার মাথা থেকেই এসেছিল। তবে সরকারের অ্যান্টিট্রাস্ট নিয়ন্ত্রকের হস্তেেপ এ কার্যক্রম সফল হয়নি। ২০০৭ সালে ১ কোটি ২০ লাখ ডলারে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার অধিগ্রহণে প্রস্তাব দেন জেরি। কিন্তু তার প্রস্তাব সফল হয়নি। ২০০৮ সালে ইয়াহু অধিগ্রহণে আগ্রহ দেখান সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটের সিইও স্টিভ বালমার। কিন্তু সম্মত ছিলেন না ইয়াহু কতৃপক্ষ।
২০০৯ সালে ক্যারল বার্টজ সিইও হিসেবে যোগদান করেন ইয়াহুতে। বার্টজের শাসনামলে বেশি গুরুত্ব পায় দতা, ব্যয়সঙ্কোচনে কর্মী ছাঁটাই ও মন্দায় থাকা ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া। ২০০৯ সালে মাইক্রোসফটের সঙ্গে করা বহু দিনের অংশীদারিত্বে বাদ সাধেন বার্টজ।
২০১২ সালে সিইও হিসেবে স্কট থম্পসনের শাসনামল ছিল মাত্র চার মাসের। ২০১২ সালের শেষ দিকে মারিসা মেয়ার সিইও হিসেবে ইয়াহুর পাল ধরেন। সিলিকন ভ্যালির তারকা মারিসা মেয়ার একসময় ছিলেন গুগল কর্মকর্তা। তাই ম্লান ইয়াহুর ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে তার ওপর অগাধ আস্থা রেখেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। অনেক অধিগ্রহণ ও নতুন পণ্যে বিনিয়োগ করেও আয় বৃদ্ধিতে তার সফলতা মেলেনি।