অনলাইন আউটসোর্সিং এর উপর ফ্রি সেমিনার Online Outsourcing Training Free Seminar at Uttara Info Tech, Gazipur Branch

অনলাইন আউটসোর্সিং এর উপর ফ্রি সেমিনারটি আজ আমাদের গাজীপুর ব্রাঞ্চ এ সফল ভাবে সম্পন্ন করেছি। এজন্য সবাই কে অান্তরিকভাবে ধন্যবাদ।

আগামি ৩রা মার্চ ২০১৭ইং শুক্রবার বিকাল ৩ – ৬ ঘটিকা পর্যন্ত আমাদের পরবর্তী ফ্রি সেমিনারের আয়োজন করা হবে।

চোখ রাখুন আমাদের ফেইসবুক পেইজ এ
https://www.facebook.com/freelancingtrainingingazipur

Outsourcing – Earn from Theme Forest; Professional Course Graphics to PSD & PSD to HTML

 

Outsourcing – Earn from Theme Forest;

Professional Course

Graphics to PSD & PSD to HTML

বাংলাদেশের ইয়াং জেনারেশন থেকে শুরু করে বয়সী মানুষরাও অনলাইন ক্যারিয়ারে প্রবেশ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনতে সক্ষম হচ্ছেন। দিন দিন অনলাইনে আয়ের প্রতি মানুষের প্রচুর চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইনে আয় সংক্রান্ত বিষয়ে সবাই প্রচুর আগ্রহী হয়ে উঠছে ঠিকই কিন্তু সঠিক গাইড লাইন এবং দক্ষতার অভাবে অনেকেই ঝড়ে যাচ্ছেন।

আমাদের আছে বাস্তবভিত্তিক কাজ করেন এমন ট্রেইনার। তাই আমরা নিশ্চয়তা দিতে পারি আপনার দক্ষতা উন্নয়নে সঠিকভাবে সহযোগীতা করতে পারবো এবং যারা ট্রেইনার হিসেবে থাকবেন তারা সবাই থিমফরেস্ট বেইজড কাজ করেন।

ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন এবং ফ্রন্ট-ইন্ড-ওয়েব ডেভেলপমেন্টের হাজারো কাজ পাওয়া যায় এবং এ কাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুলনামূলক কম তবে চাহিদা বেশি। তাই সহজে কাজ পাবেন এবং এধরনের কাজের দামও বেশি। একজন সাধারন মানের ফ্রিলান্সারের ঘণ্টাপ্রতি কাজ করার রেট হয় ২ থেকে ৩ ডলার, কিন্তু একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘণ্টাপ্রতি রেট শুরুতেই ১০ থেকে ১২ ডলার হয়ে থাকে। আজকাল ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট শিখলে শুধু ফ্রিল্যান্সিং করা যায় এমনটা নয়, অনেক মার্কেট আছে যেখানে ওয়েব টেম্পলেট এবং ওয়েব এপ্লিকেশন খুবই ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এমনি একটা মার্কেটপ্লেস হচ্ছে ‘themeforest.net’। এখানে আপনি আপনার একটি ডিজাইন করা টেম্পলেট একাধিকবার বিক্রি করতে পারবেন এবং ভালো কোয়ালিটির টেম্পলেট হলে প্রতিমাসে একটা টেম্পলেট দিয়েই আপনি প্রচুর আয় করতে পারেন।

গত প্রায় ৫ বছর যাবৎ আমাদের আইটি সার্ভিসের পাশাপাশি আমরা অনলাইন আয় সংক্রান্ত বেশ কিছু কোর্স পরিচালনা করে আসছি। আমাদের দিক-নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণে অনেক নতুনরা দক্ষ হয়ে বিভিন্নভাবে কাজ করে ভাল আয়ের পাশাপাশি সুনামও অর্জন করে যাচ্ছে।

আপনি নতুন হলে সব থেকে ভালপন্থা সময় করে একদিন অফিসে এসে জেনে নিন কিভাবে, কোনটা দিয়ে শুরু করলে আপনি সত্যিকারের দক্ষতা অর্জন করে আয় করতে পারবেন। হুট করে শুরু না করে একটু বিচারবুদ্ধি দিয়ে ভেবেচিন্তে শুরু করুন।

আমাদের অফিসের ঠিকানা:
৮৭, বিএনএস সেন্টার,
৬ষ্ঠ তলা (রুম নং# ৬১০/এ, এবং ৬১৪),
সেক্টর # ০৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০।
হ্যালো : ০১৯৭০ ৯০০ ৯৩৩
ফেসবুক: www.facebook.com/uttarainfotech
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.uit.com.bd

ফেসবুকের ৫ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নিন, যা আপনি নাও জানতে পারেন

125819FACEBOOK_2963641b

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নানা ধরনের ফিচার রয়েছে। এসব ফিচারের অনেকগুলোই আমাদের জানা নেই। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কয়েকটি বিষয়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। ১. সার্চ হিস্টোরি ক্লিয়ার করুন ফেসবুক থেকে আপনি যেসব বিষয় সার্চ করেছেন তার একটি তালিকা ফেসবুক সংরক্ষণ করে। তবে চাইলেই আপনি সেই তালিকা মুছে ফেলতে পারেন। এছাড়া আপনি চাইলে এ তালিকার কোনো অংশ আলাদা করেও মুছতে পারেন। ফেসবুক আপনার সব সার্চ হিস্টোরি সংরক্ষণ করে। এজন্য ফেসবুকের ডানপাশের ওপরের দিকের কোনায় ‘ডাউন অ্যারো’তে ক্লিক করুন এবং অ্যাক্টিভিটি লগ সিলেক্ট করুন। বামপাশের কলামে ফটো, লাইক ও কমেন্ট এর সঙ্গে থাকা ‘মোর’-এ ক্লিক করুন। এরপর এ তালিকার সবচেয়ে নিচে থাকা সার্চ-এ ক্লিক করুন। এখানে চাইলে আপনি সম্পূর্ণ সার্চও মুছে ফেলতে চাইবেন। এত সার্চ এলাকা খালি হয়ে যাবে। এই ফিচারটা আপনি বন্ধ করতে পারবেন না। এ কারণে আপনাকে মাঝে মাঝে এখানে এসে মুছে ফেলতে হবে সার্চ হিস্টোরি। ২. ফেসবুকের ইতিহাস দেখুন ফেসবুকের অ্যাকাউন্টে অ্যাক্টিভিটি লগের মাধ্যমে আপনার সব কার্যক্রমের তালিকা সংরক্ষণ করা হয়। এতে যাওয়ার জন্য ওপরের ডানপাশের কোণে থাকা নামের পাশে নিচের দিকের তীর চিহ্নে ক্লিক করুন। এরপর অ্যাক্টিভিটি লগে ক্লিক করুন। আপনি এতে অসংখ্য এন্ট্রি দেখতে পাবেন। এগুলো আপনার বিভিন্ন সময়ে করা ফেসবুক কার্যক্রমের তালিকা। এখান থেকে আপনার শেয়ার করা পোস্ট, ছবি, ভিডিও, লাইক ইত্যাদি সবই দেখতে পাবেন। আপনি যেসব বিষয় অতীতে সার্চ করেছেন, সেগুলোর একটি তালিকাও পাবেন বাম পাশের ‘মোর’-এ ক্লিক করে। আপনার পছন্দনীয় পোস্ট রেখে অপছন্দনীয় পোস্টগুলোর বিষয়ে এখান থেকেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। প্রতিটি পোস্টের ডান পাশে একটি কলমের মতো চিহ্ন রয়েছে। সেখানে ক্লিক করে পোস্টগুলো মুছে দেওয়া যাবে। এখানে আপনি যদি অতীতে যে সার্চগুলো করেছেন তার তালিকা মুছতে চান তাহলে বাম পাশের ‘সার্চ’-এ ক্লিক করুন। এরপর আলাদা আলাদা করে মুছতে চাইলে ডান পাশের চিহ্নটিতে ক্লিক করুন। আর যদি সবগুলো মুছতে চান তাহলে ডানপাশে ওপরের দিকে থাকা ‘ক্লিয়ার সার্চ’-এ ক্লিক করুন। আপনি যদি সম্পূর্ণ অ্যাকটিভিটি ডাউনলোড করতে চান তাহলে সেখানে থাকা “Download a copy of your Facebook data” তে ক্লিক করুন। এরপর Start My Archive সিলেক্ট করুন।

৩. দাবা খেলা ফেসবুকে ক্যান্ডি ক্র্যাশ খেলার রিকোয়েস্ট অনেকেই দেখেছেন। এটি ছাড়াও আপনি দাবা খেলতে পারেন ফেসবুকে। এক্ষেত্রে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে গেমটি খেলতে চাইলে তার ব্যবস্থাও রয়েছে। এজন্য মেসেজ অপশন ওপেন করুন। সেখানে আপনার টাইপ করতে হবে @fbchess play. এরপর আপনি একটি দাবা খেলার বোর্ড দেখতে পাবেন। যার পরের পদক্ষেপের মাধ্যমে শুরু হবে খেলা। এক্ষেত্রে A থেকে H পর্যন্ত পাশাপাশি এবং 1 থেকে 8 পর্যন্ত ওপরে-নিচে ঘরগুলো রয়েছে, যার নম্বরগুলো দেখে পরবর্তী মুভের জন্য নির্দেশ পাঠাতে হবে। আপনি যদি @fbchess Pe4 টাইপ করেন তাহলে pawn চলে যাবে e4 ঘরে। ৪. লুকানো মেসেজ ফোল্ডার ফেসবুকের মূল উদ্দেশ্য বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও সব মেসেজ যে আপনি হাতেই পেয়ে যাবেন, এমন কোনো কথা নেই। কিছু মেসেজ একটি স্পেশাল ফোল্ডারে গোপন অবস্থায় থাকে। যারা আপনার বন্ধু তালিকায় নেই তাদের মেসেজগুলো এ ফোল্ডারে চলে যায়। ফেসবুক এগুলোকে স্প্যাম মেসেজ হিসেবে বিবেচনা করে। স্মার্টফোন বা ট্যাবে মেসেঞ্জার অ্যাপে এ ফোল্ডারটি থাকে। এটি খুঁজে বের করার জন্য নিচের ডান পাশ থেকে Me আইকনটিতে ট্যাপ করুন। এরপর Message Requests সিলেক্ট করুন। সেখান থেকে See filtered requests-এ যান। সেখানেই আপনি পেয়ে যাবেন লুকানো মেসেজগুলো। ৫. আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ঝুলিয়ে রেখেছেন কারা আপনার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট কে কে পাওয়ার পরেও ঝুলিয়ে রেখেছে, তা দেখতে পারবেন ফেসবুকে। এজন্য আপনার ফেসবুক থেকে ফ্রেন্ডস আইকনে ক্লিক করুন। সেখান থেকে See All Friends-এ যান। এরপর View Sent Requests-এ গেলেই পেয়ে যাবেন আপনি যাদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন তাদের একটি তালিকা। সেখান থেকে প্রত্যেকের নামের ডান পাশে Friend request sent থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ক্যানসেল করতে পারবেন।

অনলাইনে তথ্য গোপন রাখবেন যেভাবে

193648hacker_Kalerkantho_pic

অনলাইনের যুগে সবকিছু কতই না সহজ মনে হয়। দিনের বেশির ভাগটাই কাটে এই ইন্টারনেটে। কাজের প্রয়োজনেই বিভিন্ন সাইটে নিজের ইমেইল, ক্রেডিট কার্ড, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। আর এই সুযোগের অপেক্ষাতেই থাকে হ্যাকাররা। ব্যবহারকারীকে বোকা বানিয়ে নিমিষেই হাতিয়ে নেয় গোপন তথ্য৷ এই সাতটি বিশেষ টিপস মেনে চললে আপনি কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারবেন আপনার কোন গোপন তথ্যকে৷ ১৷ পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের ও ব্যাংক কার্ডের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়৷ এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনো পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না৷ এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷ বাড়ির বাইরে গেলে এগুলি লক করে যান৷ ২৷ ‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন এটা খুব সহজ পন্থা, আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে সবাই কী বলছে৷ সোজা এই ঠিকানায় যান –http://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন৷ তারপর আপনার নামের বিভিন্ন ধরন লিখে, তার আগে ও পরে ‘কোটেশন মার্ক’ জুড়ে দিন৷ আর দেখে নিন প্রয়োজনীয় তথ্য৷ ৩৷ ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা আপনি যদি অন্য কারো কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন৷ আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন৷ আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে৷ ৪৷ জিপ কোড ব্যবহার করতে না দেয়া অচেনা কোনো মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, আপনারা দেবেন না৷ দেখা যায় কোনো অফিস তাঁর কর্মীর কাছ থেকে এ সব তথ্য চাইলে, অনেকেই স্বেচ্ছায় তা দিয়ে দেয়৷ বহু অফিস এ নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করে৷ আপনার কিন্তু এ সব তথ্য না দেয়ার অধিকার আছে৷ তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না৷ ৫৷ কার্ড নয় ক্যাশ আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন৷ ৬৷ ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন৷ পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন৷ আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলক ভাবে ভালো৷ ৭৷ ‘হিস্ট্রি’ মুছে ফেলুন আপনি সর্বশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন৷ ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন৷ মুছে ফেলুন আপনার হিস্ট্রি৷ –

ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি কম? ৫ কারণ জেনে নিন

110749WiFi_kalerkantho_pic

ওয়াইফাই ইন্টারনেট যারা ব্যবহার করেন তাদের অনেকেই যে গতি পাওয়ার কথা তা পান না। এর পেছনে কারণ কী হতে পারে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রযুক্তিবিদরা কয়েকটি বিষয় জানিয়েছেন। এ লেখায় তুলে ধরা হলো ওয়াইফাই ইন্টারনেটের গতি কম পাওয়ার সমস্যা ও তা সমাধানের কয়েকটি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ। ১. ইন্টারনেট চুরি আপনার ইন্টারনেটের সংযোগ কোনো প্রতিবেশী ব্যবহার করলে এতে আপনার ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই প্রতিবেশীদের থেকে সাবধান। অবশ্য কয়েকজন প্রতিবেশী মিলে একটি গতিশীল ইন্টারনেট নিয়ে তা শেয়ার করে ব্যবহার করাও একটি ভালো বুদ্ধি। তবে আপনার অজান্তে যদি তা চুরি হয়ে যায় তাহলে সতর্ক হোন। পাসওয়ার্ড গোপন রাখুন ও সন্দেহ হলে পরিবর্তন করুন। ২. অতিরিক্ত ডিভাইস আপনার এলাকায় যদি প্রচুর ওয়াইফাই সিগন্যাল থাকে এবং প্রচুর ডিভাইস ব্যবহৃত হয় তাহলে এমনটা হতে পারে। বহু ডিভাইসের কারণে ওয়াইফাই সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা থাকলে পিক আওয়ারে ইন্টারনেটের গতি কম পাবেন এবং অন্য সময় বেশি পাবেন। এ ক্ষেত্রে আপনার চ্যানেল পরিবর্তন করলে সুবিধা পাবেন। আপনি যদি ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির রাউটার ব্যবহার করেন তাহলে তাতে ১১টি চ্যানেল থাকবে। আপনার কাজ হবে ১, ৬ কিংবা ১১ নম্বর চ্যানেল কিংবা অন্য কোনো চ্যানেলে পাল্টে নেওয়ায়। এ ছাড়া ৫ গিগাহার্জ চ্যানেলযুক্ত রাউটার ব্যবহার করলে এ সমস্যা হবে না। ৩. পুরনো যন্ত্রপাতি ওয়াইফাই রাউটার যদি পুরনো মডেলের হয় তাহলে তা বাদ দিন। এ ক্ষেত্রে আপনার রাউটারের গতি দেখে নিন। এটি যদি আপনার ইন্টারনেটের লাইনের তুলনায় কম গতির হয় তাহলে রাউটার পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে। এগুলো যদি হয় বি কিংবা জি মডেল তাহলে ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। তাই ব্যবহার করুন এন মডেল। ৪. সিকিউরিটি দুর্বলতা দূর করুন অনেক সময় নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে ওয়াইফাইয়ের গতি ধীর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওয়াইফাই ইন্টারনেটের জন্য WEP বাদ দিয়ে কিছুটা নিরাপদ WPA/WPA2 ব্যবহার করুন। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ৫. দূরবর্তী স্থান ওয়াইফাই ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে রাউটারের থেকে দূরবর্তী স্থানে স্বভাবতই ইন্টারনেট পৌঁছাতে সমস্যা হবে। এ ক্ষেত্রে রাউটার স্থাপন করতে হবে বাড়ির মাঝামাঝি স্থানে যেন সব স্থান থেকেই ভালোভাবে সিগন্যাল পাওয়া যায়। আপনার ডিজিটাল ডিভাইসগুলোর সবচেয়ে কাছাকাছি স্থানে কোনো বাধা ছাড়া রাউটার রাখার চেষ্টা করুন। বাড়িতে বহু ভারী ফার্নিচার থাকলে সেগুলোর আড়ালে নয় বরং সেগুলোর উপরে রাউটার বসান। এতে বাধামুক্তভাবে রাউটার আপনার ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে। রাউটারের সঙ্গে আপনার ডিভাইসের মাঝে দ্রুত যোগাযোগের পথে বহু জিনিসই বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এসব বাধার মধ্যে রয়েছে ধাতব দরজা, অ্যালুমিনিয়াম কাঠামো, ওয়াল ইনসুলেশন, পানির ট্যাংক বা অ্যাকুরিয়াম, আয়না, হ্যালোজেন লাইট, গ্লাস ও কংক্রিট। এ ধরনের বাধাগুলো যেখানে সবচেয়ে কম সেখানেই প্রয়োজনীয় যন্ত্র বা রাউটার স্থাপন করুন।

পেইজা (Payza) বাংলাদেশ চালু করলো আন্তর্জাতিক প্রিপেইড মাস্টারকার্ড।

পেইজা (Payza) বাংলাদেশে প্রিপেইড মাস্টারকার্ড চালু করলো

পেইজা (Payza) বাংলাদেশ চালু করলো আন্তর্জাতিক প্রিপেইড মাস্টারকার্ড। অনলাইনে লেনদেন বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রে পেইজার এ প্রিপেইড কার্ড গ্রাহকের কার্যক্রম প্রক্রিয়া সহজতর করবে।

গতকাল সোমবার (১ আগস্ট ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানটি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেইজা আন্তর্জাতিক প্রিপেইড মাস্টারকার্ড অন্যান্য প্রিপেইড ডেবিট কার্ডের চেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যের। কোনো মাসিক বা বাৎসরিক ফি নেই। এটা সহজ এবং সুবিধাজনক।

পেইজা ই-ওয়ালেট থেকে কার্ডে ফান্ড লোড করে যেখানে যেখানে মাস্টার কার্ড ব্যবহার করা যায়, তার প্রায় সবখানেই এই কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করা যাবে। ফেসবুক পেজের প্রমোশন, অ্যাডভারটাইজমেন্টের জন্য পেমেন্ট করা, অনলাইনে কেনাকাটা করা, স্থানীয় রেস্টুরেন্টগুলোতে যেমন- কেএফসি, পিৎজা হাট ইত্যাদিতে বিল পরিশোধ করা, স্থানীয় বড় বড় শপিং মলে পেমেন্ট করা এবং পিওএস মেশিনে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

আন্তর্জাতিক ই-কমার্স অথবা অনলাইন শপিং কোম্পানিগুলো যেমন- অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা, নেটফ্লিক্স ইত্যাদিতেও এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে। এমনকি গ্রাহক বাংলাদেশের যেকোনো আন্তর্জাতিক মাস্টারকার্ড সমর্থিত এটিএম বুথ থেকেও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে উপার্জিত টাকা অনায়াসে উত্তোলন করতে পারবেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার ১০০ ভাগ নিরাপদ এবং সহজ। গ্রাহক যেখানেই যান তার পেইজা কার্ডের ই-ওয়ালেট থেকে ফান্ড নিয়ে ব্যবহার করতে সক্ষম হবেন। এটা ভ্রমণের সময় যেকোনো স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন। কার্ডটি হারিয়ে গেলে এটা বাতিল বা পুনরায় তোলা যায় বলে গ্রাহকের ফান্ড সবসময় সুরক্ষিত থাকে।

পেইজা বাংলাদেশের প্রধান বিপণন ও বিক্রয় কর্মকর্তা নাফিস ইহতিশাম বলেন, এই কার্ডের উচ্চ চাহিদা দেখে আমরা খুব আশাবাদী যে এর সফল প্রভাব বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি অন্যান্য অনলাইন পেমেন্টের ওপরও থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পেইজার ওয়েবসাইটে (Payza.com) সাইন আপ করে এখনই কার্ড অর্ডারের কথা বলা হয়।

পেইজা বিশ্বের একটি শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে, যা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত দেশের সর্বপ্রথম ই-ওয়ালেট। পেইজা ই-ওয়ালেট স্থানীয় ই-কমার্স ও ফেসবুক-কমার্স, অনলাইন পেমেন্ট, কর্পোরেট লেনদেন, রেমিটেন্স এবং অন্যান্য ই-সেবাগুলো প্রদানে বাংলাদেশে এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ল্যাপটপের কি–বোর্ড যখন কাজ করে না

freelancing

 

ল্যাপটপ কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের বড় সমস্যা হঠাৎ কি-বোর্ড কাজ না করা। যন্ত্রাংশ বা সফটওয়্যারের কারণে কি-বোর্ড কাজ করতে চায় না কখনো কখনো। কিন্তু কি-বোর্ডে কখনো বেশি চাপ পড়লে বা অসাবধানতায় এর ওপর তরল পদার্থ পড়লে কি-গুলো শর্ট হয়ে যায়। তবে যন্ত্রাংশের বড় ধরনের সমস্যা না হলে কিছু পদক্ষেপ নিলে ল্যাপটপের কি-বোর্ডকে আবার কার্যকর করা যায়।

যা করবেন

ডিভাইস সফটওয়্যার চেক: স্টার্ট মেন্যুতে devmgmt.msc লিখুন। ডিভাইস ম্যানেজার এলে তাতে ক্লিক করে খুলুন। অনেক সময় হার্ডওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড ড্রাইভ এখানে লুকিয়ে থাকে। তাই ডিভাইস ম্যানেজারের View মেন্যুতে ক্লিক করে Show hidden devices-এ ক্লিক করুন। এবার এই তালিকার Keyboards-এ ডবল ক্লিক করলে আপনার ল্যাপটপের ডিভাইসের নাম দেখতে পাবেন। এখানে হলুদ ত্রিভুজের মধ্যে বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখা গেলে ল্যাপটপ নির্মাতার ওয়েবসাইটে গিয়ে ল্যাপটপের মডেল দিয়ে ড্রাইভার খুঁজে নিয়ে তার সর্বশেষ সংস্করণ নামিয়ে ব্যবহার করলে কি-বোর্ড সচল হয়ে যাবে। না হলে কি-বোর্ড ড্রাইভারে ডান ক্লিক করে Uninstall-এ ক্লিক করুন। আনইনস্টল শেষে Action মেন্যুতে ক্লিক করলে Scan for hardware changes-এ ক্লিক করুন। এবার কম্পিউটার আবার চালু (রি-স্টার্ট) করুন তাহলে কি-বোর্ড পুনরায় ইনস্টল হয়ে আবার কাজের উপযোগী হবে।

বায়োস সেটিংস: কম্পিউটার রি-স্টার্ট করে কি-বোডের্র Esc চেপে ধরে থাকুন। যদি স্টার্ট-আপ মেন্যু না আসে তাহলে বুঝতে হবে কি-বোডের্র হার্ডওয়্যার সমস্যা। সে জন্য এক্সটার্নাল কি-বোর্ড লাগিয়ে নিয়ে আবার Esc key চেপে ধরে রাখুন স্টার্ট-আপ মেন্যুর পর্দা আসা পর্যন্ত। এইচপির ল্যাপটপের জন্য স্টার্ট-আপ মেন্যু এলে F10 key চেপে বায়োসে (অন্য ব্র্যান্ড ব্যবহারকারীরা তাদের ল্যাপটপের বায়োস কি চেপে) ঢুকুন। এবার F5 চাপলে load the default settings করুন। F10 কি চাপলে সেটিংস সেভ হয়ে কম্পিউটার পুনরায় চালু করলে অনেক সময় কি-বোর্ড ঠিক হয়ে যায়। এ ছাড়াও সফটওয়্যারগত সমস্যায় কি-বোর্ড কাজ না করলে উইন্ডোজের সিস্টেম রিস্টোর করে দেখতে পারেন। অনেক সময় তৃতীয় পক্ষের কিছু সফটওয়্যারের জন্য কি-বোর্ড কাজ করে না। তাই জেনে-বুঝে সফটওয়্যার ইনস্টল করুন প্রয়োজনে ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটার স্ক্যান করে নিন। আবার কি-বোর্ডের ভেতর ময়লা জমে গেলে কি আর কাজ করে না। তাই ল্যাপটপ বন্ধ অবস্থায় কি-গুলোকে ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দেখতে পারেন। প্রয়োজনে উইন্ডোজের অন-স্ক্রিন কি-বোর্ড ব্যবহার করতে পারেন।

ফেসবুকের শর্টকাট কি

1b7cff49623dc9db4fbb8faa8ffed420-facebook

ফেসবুকের নিউজফিডে মাউসের ব্যবহার যেন অপরিহার্য। তবে কি-বোর্ডের কিছু শর্টকাট কি ব্যবহার করে আরও দ্রুত যে কাজ সারা যায়,
তা কি জানা আছে?

* J ও K ওপরে ও নিচে নিউজফিডের পোস্ট নির্বাচন
* Enter নির্বাচিত পোস্ট পুরোটা দেখাবে
* P নতুন কিছু পোস্ট করার জন্য
* L কোনো পোস্ট লাইক বা আনলাইক করবে
* C নির্বাচিত পোস্টে কমেন্ট করতে
* S কোনো কিছু শেয়ার করা যাবে
* O নির্বাচিত ছবি বড় করে দেখাবে
* / কোনো কিছু খুঁজতে সার্চবার সক্রিয় করবে
* Q চ্যাটে কাউকে খুঁজে পেতে
এই তালিকা ভুলে গেলেও কোনো সমস্যা নেই। নিউজফিডে থাকা অবস্থায় ‘?’ বোতাম চাপলেই পুরো তালিকাটি দেখাবে

আপওয়ার্কে কাজের সাফল্য হিসাব করা হয় যেভাবে

 

download

ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট আপওয়ার্কে কীভাবে কাজের সাফল্যের (জব সাকসেস স্কোর) হিসাব করা হয়, এটা নিয়ে অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দেয়। আগে যখন ওডেস্ক এবং ইল্যান্স (ওডেস্ক ও ইল্যান্স মিলে বর্তমানে আপওয়ার্ক) ছিল, তখন শুধু গ্রাহকের মন্তব্যের (ফিডব্যাক) রেটিং গণনা করা হতো। আপওয়ার্ক হওয়ার পর থেকে আর শুধু ফিডব্যাক গণনা করা হয় না। এখন জব সাকসেস স্কোর হিসাব করা হয়। জব সাকসেস স্কোর অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। জব সাকসেস স্কোর = সব ফিডব্যাক (পাবলিক ও প্রাইভেট) + দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক, চুক্তির পুনরাবৃত্তি ‍+ কোনো কাজ ছাড়া চুক্তি, পর্যাপ্ত ফিডব্যাকের ঘাটতি। জব সাকসেস স্কোর = (চুক্তির সফল বাস্তবায়ন – নেতিবাচক ফলাফল)/মোট কাজের ফলাফল আপওয়ার্ক প্রতি ১৪ দিন পরপর রোববারে ৬ মাস, ১২ মাস এবং ২৪ মাসের জব সাকসেস স্কোর আলাদাভাবে হিসাব করে। যে স্কোরটি বেশি হয় সেটি ফ্রিল্যান্সারদের প্রোফাইলে যোগ করে। জব সাকসেস স্কোর ৯০ বা তার চেয়ে বেশি হলে অনেক ভালো হিসেবে গণ্য হয়। ৭৫ বা এর কম হলে খারাপ হিসেবে গণ্য হয়। জব সাকসেস স্কোর ৭৫-এর চেয়ে কমে গেলে নতুন কাজ পেতে অনেক সমস্যা হয়।

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি এবং চুক্তির পুনরাবৃত্তি স্কোর বাড়ায়: কোনো চুক্তি যদি অনেক দিন ধরে চলে এবং নিয়মিত কাজের পারিশ্রমিকের লেনদেন হয়, তবে স্কোর বাড়ায়। আবার একই গ্রাহক বারবার কাজ দিলেও স্কোর বাড়ে।

বাজে গ্রাহকের ফিডব্যাক গণনা করা হয় না: যেসব গ্রাহক সব ফ্রিল্যান্সারের সঙ্গেই বাজে ব্যবহার করে এমন ক্লায়েন্টদের ফিডব্যাক গণনা করা হয় না এবং তাদের অ্যাকাউন্ট আপওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়।

লেনদেন হয় না এমন চুক্তি স্কোর কমিয়ে দেয়: কোনো একটা চুক্তির কাজ শুরু হওয়ার পর যদি পেমেন্ট লেনদেন না হয় তাহলে নির্দিষ্ট একটা সময় পর এটা স্কোর কমিয়ে দেয়। তাড়াতাড়ি এই কন্ট্রাক্টটি শেষ করে এই সমস্যা থেকে বাঁচা যায়।

ফিডব্যাক ছাড়া চুক্তি শেষ হলে কমে যায়: মাঝেমধ্যে ফিডব্যাক ছাড়া চুক্তি শেষ হলে কোনো সমস্যা হয় না, কিন্তু নিয়মিত ফিডব্যাক ছাড়া চুক্তি শেষ হলে স্কোর কমে যায়। গ্রাহককে অনুরোধ করে ফিডব্যাকসহ কন্ট্রাক্ট এন্ড করলে এই সমস্যা থেকে বাঁচা যায়।

এসোশিখির বিনিয়োগের বিডি ভেঞ্চার

1470654258

ইন্টারনেটভিত্তিক দূরশিক্ষণের ওয়েব পোর্টাল এসোশিখি ডটকমে (www.eshosikhi.com) বিনিয়োগ করল বিডি ভেঞ্চার লিমিটেড। সম্প্রতি বিডি ভেঞ্চারের নিজস্ব কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিডি ভেঞ্চার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন ও এসোশিখি ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম তানভীর এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে এসোশিখি ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এই বিনিয়োগ মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, ভর্তি প্রস্তুতি ও চাকরির পরীক্ষার জন্য মানসম্মত কারিকুলামভিত্তিক ভিডিও লেকচার ও পরীক্ষা তৈরিতে ব্যবহার হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে এসোশিখি ডটকমের সব বিষয়ের ভিডিও লেকচার ও পরীক্ষা তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে সব বিষয়ে পড়াশোনা করতে পারবে।

বিডি ভেঞ্চার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন বলেন, এসোশিখি ডটকম বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।